পুরুলিয়া টুরিজম কাউন্সিল গঠন করে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে প্রথম বৈঠক রাজ্য পর্যটনের - The News Lion

পুরুলিয়া টুরিজম কাউন্সিল গঠন করে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে প্রথম বৈঠক রাজ্য পর্যটনের

 


দি নিউজ লায়ন:      পুরুলিয়া সফরে এসে জঙ্গলমহলের টুরিজমের সার্কিটকে গুরুত্ব দিয়ে হোম টুরিজমের প্রসারের কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার সেই নির্দেশে শীল মোহর দিয়ে পুরুলিয়া টুরিজম কাউন্সিল গঠন করে মঙ্গলবার পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে প্রথম বৈঠক করল রাজ্য পর্যটন।দেশ-বিদেশের পর্যটনে তুলে ধরতেপুরুলিয়ার ল্যান্ডস্কেপকে 'এক্সপেরিয়েন্স বেঙ্গলের' ট্যাগ দিয়ে ১৫ দফা পদক্ষেপ নিল রাজ্যের পর্যটন বিভাগ।  এদিনের প্রথম বৈঠক  থেকে এক গুচ্ছ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সুত্রে জানাগিয়েছে। জেলা প্রশাসন সুত্রে জানাগিয়েছে,  এই জেলায় সবচেয়ে উল্লেখ্য যোগ্য রয়েছে অযোধ্যা পাহাড়ের।৩০৮ বর্গ কিমি জুড়ে রয়েছে অযোধ্যা পাহাড়। অযোধ্যা পাহাড়কে নিয়ে আলাদাপৃথক থানা ও ব্লক হিসেবে তুলে আনাউদ্যোগ নেওয়া হয়েছে l এদিন বৈঠকে ছিলেন  রাজ্যের পর্যটন বিভাগের প্রধান সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী।এদিন অযোধ্যা হিলটপের কুশল পল্লীতে ওই বৈঠক হয়l বৈঠকে ছিলেন পর্যটন বিভাগের  ম্যানেজিং ডিরেক্টর কৌশিক ভট্টাচার্য, যুগ্ম-সচিব শান্তা প্রধান,পুরুলিয়ার জেলাশাসক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।  রাজ্যের পর্যটন বিভাগের প্রধান সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী বলেন, “  বাংলার পর্যটনে পুরুলিয়াকে আমরা একটা ট্যুরিজম ডেস্টিনেশন হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছি।যেখানে দেশি-বিদেশি  সকল পর্যটককে আমরা পুরুলিয়ায় নিয়ে আসতে চাইছি।এই জন্যই কাউন্সিল গঠন করা হয়েছেl প্রথম বৈঠকে আমরা একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছি।”   


এই  জেলার পর্যটনকে তুলে ধরতে সোশ্যাল সাইটকে ব্যাপক ভাবে কাজে লাগাবে পর্যটন বিভাগl  পাশাপাশি লোকপ্রসার প্রকল্পের মাধ্যমে পুরুলিয়ার পর্যটনকে তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছেl  এই পর্যটন শিল্পায়নে যাতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক বিকাশ ঘটে সেই  বিষয়েও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে প্রশাসন সুত্রে জানাগিয়েছে।  স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে এই জেলায় আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে হোম  স্ট্রের উপরেওl তাই যারা হোম ট্যুরিজমে এগিয়ে আসবেন তাদেরকে 'হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট'-র জন্য আলাদাভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পর্যটন বিভাগ l          

       

এই জেলায় তিনটি সার্কিট ট্যুরিজম অযোধ্যা, গড়পঞ্চকোট,  দক্ষিণ পুরুলিয়া অংশের প্রসার ঘটিয়ে অফবিট ট্যুরিজমকে তুলে ধরা হবে।

 যেমন- ট্রাডিশনাল খানাপিনা থেকে সাজপোশাকও সমস্ত দিক দেখা হবে। পাশাপাশি অযোধ্যা পাহাড়ের সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগকে গুরুত্ব দিয়ে ধর্মতলা থেকে সরাসরি অযোধ্যা হিলটপে সরকারি বাস পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে প্রশাসন।  এই জেলায়সারা বছর ধরে বিপুল পর্যটককে নিয়ে আসার লক্ষ্যে আপাতত অযোধ্যা পাহাড়কে প্লাস্টিক ফ্রি জোন করার জন্যকমিউনিটি টয়লেট, মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবার দিকেও জোরদিচ্ছে পর্যটন বিভাগ। এই জেলার বিখ্যাত মুখোশ গ্রাম চড়িদাকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।  প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ট্র্যাডিশনাল খাবারে  রসনা তৃপ্তি করে এখানকার হস্তশিল্পকে যাতে পর্যটকরা স্মৃতি হিসেবে বাড়ির ড্রইংরুমে সাজিয়ে রাখতে পারেন  সেই দিকেও আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিপুল পরিমানেপর্যটক আনার জন্য অযোধ্যা হিলটপ পর্যটন মেলা করার পরিকল্পনা নিয়েছে পর্যটন বিভাগ।  পুরুলিয়ার জেলাশাসক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, “ অযোধ্যা পাহাড়ের পর্যটনকে ব্যাপক ভাবে তুলে ধরার জন্যই এই পাহাড়কে ঘিরে পৃথক থানা ও ব্লক করার প্রস্তাব আমরা রাজ্যে পাঠানো হয়েছেl  প্রস্তাবিত থানা ও ব্লক এলাকায় প্রায় ২৫ হাজারের বেশি মানুষের বসবাস রয়েছে।”

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.